Sign in | Create an account


ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তি  কি ...

View:2423


Net Meter for Android

ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তি কি ...

04 Dec, 2016    0


ফাস্টচার্জিং প্রযুক্তি আসলেই কি কোন পার্থক্য সৃষ্টি করে?

বর্তমান  স্মার্টফোনের যে প্রযুক্তিতে জোর দেয়া হচ্ছে তা হলো- ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তি। গুগল পিক্সেল, মটোরলা মটো জেড, ওয়ান প্লাস, এলজি জি৫ এবং এইচটিসি ১০ ফাস্ট চার্জিং স্মার্টফোন হিসেবে সুপরিচিত। এই  প্রযুক্তি আসলে কতটা ফাস্ট চার্জ করতে সক্ষম?

সাধারণত একটি ফোন পুরোপুরি চার্জ করতে এক থেকে দুই ঘণ্টা লাগে। আর ফোনের ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তি ১৫ অথবা ৩০ মিনিটের চার্জে অনেক ঘণ্টা ব্যাক আপ দিয়ে থাকে।  সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান যেমন- কোয়ালকম কুইক চার্জ, ওয়ানপ্লাস ড্যাশ চার্জিং এবং মটোরলা টারবু চার্জিং প্রযুক্তিতে প্রবেশ করেছে। এ ছাড়াও কোয়ালকম ঘোষণা দিয়েছে তাদের আসন্ন কুইক চার্জ ৪.০ প্রযুক্তি একটি ফোনকে পাঁচ মিনিট চার্জ করে পাঁচ ঘণ্টা পর্যন্ত ব্যাকআপ দেবে।

তবে এই ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তি আসলেই কি ফাস্ট চার্জ করতে সক্ষম? অথবা অল্প সময়ের এই চার্জ কত সময় পর্যন্ত থাকে? প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট সিনেট বেশ কিছু ফোনকে দিয়ে এই প্রযুক্তির পরীক্ষা করে দেখেছে। পরীক্ষায় হ্যান্ডসেটগুলো পুরো ড্রেইন অবস্থায় (০% চার্জ) ফাস্ট চার্জ দেয়া হয়েছে। প্রতিটি ফোনকে প্রথমে ১৫ মিনিট চার্জ করে ড্রেইন করা হয়েছে আবার ৩০ মিনিট চার্জ করে আবার ড্রেইন করা হয়েছে, এরপর পুরো চার্জ করা হয়েছে। প্রতিটি ফোনে এই প্রক্রিয়াটি তিনবার করে করা হয়েছে। একেকটি প্রক্রিয়া শেষ করে ব্যাটারির শতকরা হিসাব রাখা হয়েছে এবং সবশেষে গড় হিসাব করা হয়েছে।

পরীক্ষার ফলাফল ব্যাটারি লাইফ গেইনের শতাংশ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। পরীক্ষায় ব্যবহৃত ফোনগুলো আট মাস পুরনো ছিল।

এলজি জি৫ ফোনে কোয়ালকম কুইক চার্জ ৩.০ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে এবং এই প্রযুক্তিতে বলা হয়, ৩০ মিনিটে ৫০ শতাংশ চার্জ করতে সক্ষম। পরীক্ষায় ৫০ শতাংশ চার্জ হয়ার পরই চার্জের গতি কমতে শুরু করে।

ওয়ানপ্লাস ৩ ফোনের ড্যাশচার্জ প্রযুক্তিতে বলা হয়, ৩০ মিনিটে ৬০ শতাংশ চার্জ করতে সক্ষম। তবে পরীক্ষায় এটি সামান্য ব্যর্থ হয়, ৩০ মিনিটে ৫৮ শতাংশ চার্জ করতে পারে এই ফোন।

fast charging

Comments